কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সাধু-ফকিরদের উপর হামলায় আহত-৮, থানায় অভিযোগ
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার লাউবাড়িয়া এলাকায় শনিবার (৫ নভেম্বর) দিবাগত রাতে ভক্তের বাড়ি সমবেত হয়েছিলেন সাধুরা। সেখানেই তাদের মারধর করা হয়েছে। গুরুতর আহতাবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন কয়েকজন নারী-পুরুষ।
সাধু-ফকিরদের দাবি, ভক্ত পলানের বাড়িতে ফকির তাত্বিক আলোচনার জন্য নতুন জায়গা করা হয়েছে। এটা তার বসতবাড়ির মধ্যেই। আমাদের বেশ কয়েকজনকে সেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়। আমরা সেখানে গিয়ে আমাদের রীতি অনুসারে সান্ধ্য কালীন কর্মসূচি পালন করি, এশার আজানের পর রীতি অনুসারে আমাদের কার্যক্রম চালানো হয়। সেখানে কোন, মাইক বা সাউন্ডবক্স ব্যবহার করা হয়নি। কোন বাদ্যযন্ত্র ছিলো না, গান-বাজনাও হয়নি, আগে আমাদের কেউ কোন অভিযোগও জানায়নি। হঠাৎ বাড়িটির চারপাশে কিছু লোক ঘিরে ফেলে এবং ইটপাটকেল ছুড়ে ভাঙচুর করে। তারা বাড়িতে প্রবেশ করে উপস্থিত ১৫-২০ জন কে বেধড়ক লাঠিপেটা করে, বৃদ্ধ বা নারী কাউকেই ছাড় দেয়া হয়নি। আমরা দৌলতপুর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছি, থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল জব্বারকে মৌখিক ভাবে বিষয়টি জানিয়েছি। ওই সময় উপস্থিত থাকা এবং সস্ত্রীক মার খেয়ে গুরুতর আহত হয়।
দৌলতপুর উপজেলার তারাগুনিয়া এলাকার ফকির শফি বলেন, আমরা বিষয়টার সুষ্ঠু বিচার চাই। আমাদের সেখানকার যেকেউ একজন নূন্যতম অভিযোগ দিলে আমরা দরকার হলে ওই গ্রামেই বসার আয়োজনটা করতাম না ওইদিন। ফকিরদের দাবি, অকারণে তাদের লাঞ্ছিত ও আহত করা হয়েছে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান জানান, উচ্চস্বরে গান-বাজনায় এইচএসএসি পরীক্ষার্থীদের সমস্যার কারণে এলাকাবাসীর প্রতিবাদের কথা জেনেছিলাম। পরে সাধু-ফকিরদের একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিস্তারিত তদন্ত চলছে।
























