কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতায় এক স্মরণীয় নাম ফারুক আহমেদ পিনু
নূর মোহাম্মদ রবিউল।। কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতায় এক স্মরণীয় নাম প্রয়াত সাংবাদিক ফারুক আহমেদ পিনু। সততা, নিরপেক্ষতা এবং সত্যনিষ্ঠা সাংবাদিকতায় যার নাম আজও কুষ্টিয়াবাসি স্বরণ করে থাকেন।
সুদর্শন, ভাষার মিষ্টতা ও আন্তরিক ব্যাবহারের মধ্য দিয়ে যিনি খুব দ্রত তার কর্মক্ষেত্রে সফলতার শীর্ষে পৌছান। অতঃপর সেই সময়ে এনটিভি’র সাবেক ষ্টাফ রিপোর্টার তথা সাহসী পেশাদার সংবাদকর্মী হিসেবে সাধারণ মানুষের কাছে বিশেষ পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেন।
ফারুক আহমেদ পিনু কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলার গোলাপনগরের মহারাজপুর গ্রামে ১৪ই অক্টোবর ১৯৬৯ সালে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতা ছিলেন রেলওয়ের সাবেক কর্মকর্তা বদর উদ্দিন আহমেদ ও মাতা মরহুমা হাসনা বানু।
লেখাপড়ায় তিনি ভেড়ামারা ডিগ্রি কলেজ থেকে গ্রাজুয়েশন করেন। আর বৈবাহিক জীবনে তিনি ভেড়ামারার চাঁদগ্রামের অত্যন্ত বংসীয় পরিচিত ডাঃ কে এম আবু ইউনুস সাহেবের মেজো মেয়ে শ্যামলী খন্দকার এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। দম্পত্তি জীবনে দুই সন্তান মেয়ে হুমাইরা সন্দা ও ছেলে আদনান বিন ফারুক। দুটি সন্তান ছোট রেখে তিনার চলে যাওয়া কেউ মেনে নিতে পারেনি। এদিকে তার সহধর্মিণী স্বামীর টিভি সাংবাদিকতা চ্যালেঞ্জিং পেশাকে নিজে গ্রহণ করেন। অতঃপর স্বামীর কর্মের প্রতিষ্ঠানে স্থলাভিষিক্ত হন এনটিভির কুষ্টিয়া প্রতিনিধি হিসাবে। শ্যামলী খন্দকার তার পরিশ্রম ও মেধাদিয়ে এনটিভি’র মত জনপ্রিয় স্যাটেলাইট টেলিভিশনের ষ্টাফ রিপোর্টার হিসাবে পদোন্নতি পেয়ে এখনও সততার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। একজন নারী হিসেবে শ্যামলী খন্দকার কুষ্টিয়ার বর্তমান সাংবাদিকতা জগতকে আরও এক ধাপ এগিয়ে দিয়েছেন বললেও ভুল হবে না।
প্রয়াত সাংবাদিক ফারুক আহমেদ পিনু যশোর থেকে প্রকাশিত সেই সময়ের জনপ্রিয় ‘দৈনিক লোকসমাজ’ পত্রিকার রিপোর্টার হিসেবে সাংবাদিকতার জীবন শুরু করেন। পরে জনপ্রিয় জাতীয় দৈনিক সমকাল সহ স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকার বড় পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। সবশেষ এনটিভি’র কুষ্টিয়ার ষ্টাফ রিপোটার হিসাবে দীর্ষদিন সুনামের সাথে দায়ীত্ব পালন করেন।
সাংবাদিক হিসাবে কর্মজীবনে ফারুক আহমেদ পিনু অসংখ্য পুরস্কার ও সর্বোস্তরের মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন। তিনি ২০১৭ সালের ৮ আগষ্ট কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইহলোক থেকে চির বিদায় নেন।
























