কুষ্টিয়ার প্রয়াত সাংবাদিক ফারুক আহমেদ পিনু’র আজ ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী
নূর মোহাম্মদ রবিউল।। কুষ্টিয়ার সাবেক এনটিভি’র ষ্টাফ রিপোর্টার প্রয়াত সাংবাদিক ফারুক আহমেদ পিনু’র আজ ৯ম মৃত্যু বার্ষিকী। তিনি ২০১৭ সালের ৮ আগষ্ট কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরন করেন।
সাংবাদিক ফারুক আহমেদ পিনু ১৪ই অক্টোবর ১৯৬৯ সালে কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলার গোলাপনগরের মহারাজপুর গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতা রেলওয়ের সাবেক কর্মকর্তা বদর উদ্দিন আহমেদ ও মাতা মরহুমা হাসনা বানু অত্যন্ত বংসীয় ও ধার্মিক মানুষ ছিলেন।
প্রয়াত এই সাংবাদিক গ্রাজুয়েশন করেন ভেড়ামারা ডিগ্রি কলেজ থেকে। বৈবাহিক জীবনে তিনি ভেড়ামারার চাঁদগ্রামের সর্বজন পরিচিত ডাঃ কে এম আবু ইউনুস সাহেবের মেজো মেয়ে শ্যামলী খন্দকার এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তার দুটি সন্তান Humaira Sonda ও Adnan Bin Faruk কে বেশ ছোট রেখেই পরপারে পাড়ি জমান। তারা দুই ভাই -বোনই গ্রাজুয়েশন শেষ করেছে সফলতার সাথে।
তার এই অকাল অকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার থেকে শুরু করে নিকটজনেরা একদম ভেঙ্গে পড়েন। সব চেয়ে চেয়ে যার ভেঙে পড়ার কথা তার সহধর্মিণীর কিন্তু দুই ছোট-ছোট সন্তানের দিকে তাকিয়ে বেছে নিয়েছিলেন এক চ্যালেঞ্জিং পথ। ঠিক স্বামীর কর্মে স্থলাভিষিক্ত হলেন এনটিভির কুষ্টিয়া প্রতিনিধি হিসাবে। যা ঐ সময় অসম্ভব মনে হলেও আজ শ্যামলী খন্দকার তার পরিশ্রম ও মেধাদিয়ে এনটিভির মত জনপ্রিয় স্যাটেলাইট টেলিভিশনের ষ্টাফ রিপোর্টার হিসাবে পদোন্নতি পেয়েছেন।
ফারুক আহমেদ পিনু যশোর থেকে প্রকাশিত ঐ সময়ের জনপ্রিয় দৈনিক লোকসমাজের রিপোর্টার হিসেবে সাংবাদিকতার জীবন শুরু করলেও পরে জাতীয় দৈনিক সমকালের ও সবশেষ এনটিভির কুষ্টিয়ার ষ্টাফ রিপোটার হিসাবে দীর্ষদিন সুনামের সাথে দায়ীত্ব পালন করেন। অকাল মৃত্যুর কারনে কর্মজীবন শেষ হয় নির্ধারিত বয়স সিমার বহু আগেই! সাংবাদিক হিসাবে কর্মজীবনে অসংখ্য পুরস্কার ও সর্বোস্তরের মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হন। বেশ লম্বা, সুন্দর চেহারা ও মিষ্টি আন্তরিক ব্যাবহারের কারনে তিনি খুব দ্রত তার কর্মক্ষেত্রে সফলতার চুড়ায় পৌছান। অতঃপর হয়ে ওঠেন একজন শক্তিশালী সাংবাদিক।
আজ তার মৃত্যু বার্ষিকিতে আমরা ‘কুষ্টিয়া প্রেস’ পরিবার শ্রদ্ধার সাথে স্বরন করছি।
























