বিশ্ববিখ্যাত মরমী কবি মাওলানা জালাল উদ্দিন রুমি(র.)এঁর ওফাত বার্ষিকী আজ
আজ ১৭ ডিসেম্বর বিশ্ববিখ্যাত মরমী কবি আল্লামা জালাল উদ্দিন রুমি(র.)এঁর ওফাত বার্ষিকী। মাওলানা জালালউদ্দিন মুহাম্মদ রুমি (র.)ফার্সি সাহিত্যের এমন একটি নক্ষত্রের নাম, যার আলো মানুষকে প্রজ্জলিত করে চলেছে ৮০০ বছরের বেশি সময় ধরে। আল্লামা জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমির জন্ম ১২০৭ সালে, ওফাত ১৭ ডিসেম্বর ১২৭৩। তাঁহাকে মোল্লা জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ বালখী, মাওলানা রুমি, মৌলভি রুমি নামে তবে শুধু মাত্র রুমি নামে বেশি জনপ্রিয়।
মাওলানা রুমি ছিলেন আধ্যাত্মিকতা, অতীন্দ্রিয়বাদ এবং সুফিবাদের শ্রেষ্ট ধারক এবং বাহক ছিলেন। তিনি তাঁর কবিতার মাধ্যমে মানবজাতির আত্মার রহস্য উন্মোচন করেছেন এবং সৃষ্টিকর্তার সাথে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে প্রেমকে বেঁচে নিয়েছেন। তিনি ছিলেন ১৩ শতকের একজন ফার্সি সুন্নি মুসলিম কবি, আইনজ্ঞ, ইসলামি ব্যক্তিত্ব, ধর্মতাত্ত্বিক, অতীন্দ্রিবাদী এবং সুফী। নিজ গুনে, স্বমহিমায় তা ছড়িয়ে পড়েছে সারা বিশ্বে, সাহিত্য প্রেমী প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে। পশ্চিমা বিশ্বের নামী দামি সাহিত্যিক ইয়েটস, শেক্সপিয়র, নেরুদা, উইলিয়াম কার্লোসদের ছাপিয়ে মাওলানা রুমির মসনবী বই এখন সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়, পঠিত। এরই স্বীকৃতিস্বরুপ জিতে নিয়েছে আমেরিকার ‘বেস্ট সেলিং পয়েন্ট’ অ্যাওয়ার্ড। সারা বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন ভাষায় অনুদিত হয়েছে রুমির কবিতা সমূহ।
আল্লামা রুমির প্রভাব দেশের সীমানা এবং জাতিগত পরিমণ্ডল ছাড়িয়ে বিশ্বদরবারে ছড়িয়ে পড়েছিলো।ফার্সি, তাজাকিস্তানী, তুর্কি, গ্রীক, পাস্তুন, মধ্য এশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার মুসলামানরা গত সাত দশক ধরে বেশ ভালভাবেই তার আধ্যাত্নিক উত্তরাধিকারকে যথাযথভাবে সমাদৃত করে আসছে।
মাওলানা জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমি(র.)কে ও তাঁর জীবন কর্মকে সম্মান জানিয়ে ইউনেস্কোর সারা পৃথিবীতে ২০১৪ সাল কে রুমী বর্ষ ঘোষনা করেছিলেন। মসনবী শরীফ জালাল উদ্দিন রুমীর সেরা গ্রন্থ। মরমী কবি হিসেবে তিনি চির স্মরণীয় হয়ে খাকবেন সকলের হৃদয়ের মাঝে।
























