শহীদ জিয়ার দেখানো স্বপ্ন বাস্তবায়নে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আন্তঃবিভাগে রোগী ভর্তি শুরু
সারাদেশে চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন অগ্রগতি সাধনের অংশ হিসেবে ১৯৭৮ সালে কুষ্টিয়া শহরের হাউজিং এলাকায় ভূমি অধিগ্রহণের মাধ্যমে মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন ও সংকল্প ব্যক্ত করেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক, আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের রূপকার, তৎকালীন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। শহীদ জিয়ার দেখানো স্বপ্ন আর সংকল্প বাস্তবায়নে পরবর্তীতে নানামুখী প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতায় কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সীমিত পরিসরে আন্তঃবিভাগে রোগী ভর্তি শুরুর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম ৭ এপ্রিল ২০২৫ থেকে শুরু হয়েছে।
সচেতন মহল মনে করছেন, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা চালুর মধ্য দিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সেই স্বপ্ন আজ বাস্তবে রূপ পেল। কুষ্টিয়া সহ ও পার্শ্ববর্তী ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, পাবনা, মেহেরপুর ও রাজবাড়ী জেলার জনসাধারণ এখান থেকে এখন চিকিৎসা সেবা নিতে পারবেন। এদিকে, মেডিসিন ও শিশু বিভাগ চালুর মধ্য দিয়ে হাসপাতালের যাত্রা শুরু হলে জেলার বিভিন্ন সচেতন মহলের মধ্যে আনন্দের জোয়ার দেখা মেলে। হাসপাতালের মেডিসিন ও শিশু বিভাগে আবাসিকে রোগী ভর্তির কার্যক্রমের মাধ্যমে আংশিক উদ্বোধন করা হয়।
এসময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. রিজওয়ানুর রহমান, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. আনোয়ারুল কবীর, সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ, সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার, জেলা প্রশাসন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।
হাসপাতালের পরিচালক আনোয়ারুল কবীর বলেন, ‘স্বল্প পরিসরে মেডিসিন ও শিশু বিভাগে ৪৫টি করে মোট ৯০ শয্যায় আবাসিক কার্যক্রম শুরু হলো। আশা করছি, পর্যায়ক্রমে পূর্ণাঙ্গরূপে হাসপাতালটি চালু করতে পারবো।’ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. রিজওয়ানুর রহমান বলেন, ‘এখন থেকে ৫০০ শয্যার হাসপাতালটি অন্তত শুরু হলো। ধীরে ধীরে পূর্ণাঙ্গরূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা চলমান থাকবে। রোগীদের সুযোগ-সুবিধাও বাড়ানো হবে।’
আপরদিকে ২৫০ শয্যা কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল থেকে বেশ কিছু রোগী এনে রাখা হয় এই হাসপাতালে। যদিও রোগীরা নতুন হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে সন্তোষ প্রকাশ করলেও ওষুধ ও খাবার পাওয়া যাবে কিনা তা নিয়ে সন্দিহান প্রকাশ করে।

























Leave a Reply