‘শবেকদর’ রাত হাজার মাসের চেয়ে উত্তম, এ রাতেই পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছিল

অথর
কুষ্টিয়া প্রেস ডেক্স :  কুষ্টিয়া, বাংলাদেশ
প্রকাশিত :২৭ মার্চ ২০২৫, ৩:৫০ পূর্বাহ্ণ
‘শবেকদর’ রাত হাজার মাসের চেয়ে উত্তম, এ রাতেই পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছিল

■ কুষ্টিয়া প্রেস (সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সাংবাদিকতায়) ■ পবিত্র রমজান মাসের আজ ২৬তম রোজা। আজ দিন শেষে সন্ধ্যা নামলেই আরবি হিসাবে ২৭তম রজনী, যা ইসলামের পরিভাষায় ‘লাইলাতুল কদর’ বা ‘শবেকদর’। হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠতম এ রাত। এ রাতেই পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছিল। আল্লাহতায়ালা বলেন, নিশ্চয় আমি কোরআনকে নাজিল করেছি লাইলাতুল কদরে। লাইলাতুল কদর সম্বন্ধে তুমি কি জান? লাইলাতুল কদর এক হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম।’ (সুরা কদর: ১-৩)।
শবেকদর উম্মতে মুহাম্মদির জন্য বিশেষ এক নেয়ামত। মহান আল্লাহ এ নেয়ামত অন্য কোনো নবীর উম্মতকে দেননি। পূর্ববর্তী নবীগণের উম্মত কয়েকশ বছর জীবন লাভ করে ইবাদত-বন্দেগি করতে পারত। কিন্তু উম্মতে মুহাম্মদির জীবন খুবই কম। আমাদের গড় আয়ু ৬০-৭০ বছর। তাই আল্লাহতায়ালা আমাদের জন্য বিশেষ উপহার হিসেবে শবেকদর দিয়েছেন এবং এক রাতের ইবাদতের ফজিলত এক হাজার মাসের ইবাদতের চেয়ে বেশি করে দিয়েছেন। এ রাতে লাওহে মাহফুজে মহান আল্লাহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। সেই সিদ্ধান্তবলি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ফেরেশতারা রহমত, বরকত ও কল্যাণ নিয়ে রাতেই পৃথিবীতে অবতরণ করেন। কোরআনে বলা হয়েছে, ‘এ রাতে ফেরেশতাগণ ও জিব্রাইল (আ.) অবতরণ করেন প্রত্যেক কাজের জন্য তাদের প্রতিপালকের অনুমতিক্রমে। শান্তিময়, এই রাত ফজরের উদয় পর্যন্ত।’ (সুরা কদর: ৪-৫)।

কোরআনে শবেকদরকে হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম বলা হলেও তা কোন রাত, নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। তবে এর বর্ণনা রয়েছে হাদিসে। হাদিসের ভাষ্যমতে, লাইলাতুল কদর হলো রমজান মাসের শেষ দশকে। তোমরা শবেকদর তালাশ করবে রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতে।’ (বুখারি : ২০৫৬)। তার মানে, রমজানের শেষ দশকের বিজোড় (২১, ২৩, ২৫, ২৭, ২৯ রমজান) রাতগুলোর যে কোনোটি শবেকদর হবে। অবশ্য এ রাতগুলোর মধ্যে ২৭ রমজান (২৬ রমজান দিবাগত রাত) শবেকদর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এর সপক্ষে হাদিসও বর্ণিত হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

শেয়ার করে  সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published.