পবিত্র রমজান ও ঈদ উপলক্ষে সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিলেন আইজিপি
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন
আসন্ন রমজান ও ঈদকে কেন্দ্র করে কোনো মহল যেন কোনো ধরনের ইস্যু তৈরি করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে না পারে, সেজন্য মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সজাগ ও সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।
বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) বিকেলে পুলিশ সদর দপ্তরের হল অব প্রাইডে আসন্ন পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতর নির্বিঘ্নে উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।
ছাত্র ও শ্রমিক সংশ্লিষ্ট বিষয়, যেকোনো দুর্ঘটনা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, নিত্যপণ্যের কৃত্রিম সংকটসহ নানা বিষয়কে কেন্দ্র করে কোনো মহল যাতে উদ্দেশ্যমূলকভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করতে না পারে সেজন্য সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন আইজিপি।
তিনি বলেন, রমজানে নিত্যপণ্যের মজুদ করে কেউ যেন বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি না করতে পারে সেদিকেও নজর দিতে হবে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি রোধে নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের জন্য মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন আইজিপি।
তিনি বলেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেসবিহীন গাড়ির চলাচল রোধ এবং রাস্তার উভয় পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে হবে। এ লক্ষ্যে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হাইওয়ে পুলিশকে বিশেষ নির্দেশনা দেন।
মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে আইজিপি বলেন, রমজানে নিয়মিত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ইফতার, তারাবি এবং সেহরির সময় বিশেষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
পুলিশ প্রধান বলেন, শিল্পাঞ্চল বিশেষ করে গার্মেন্টস সেক্টরে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ নিয়ে যেন কোনো ধরনের অপ্রীতিকর অবস্থার সৃষ্টি না হয়, সেজন্য শিল্প পুলিশকে তৎপর থাকতে হবে। এছাড়াও ছিনতাই, চুরি, ডাকাতি প্রতিরোধে নিয়মিত টহল জোরদার করারও নির্দেশনা প্রদান করেন আইজিপি।
এ সময় অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) মো. আতিকুল ইসলাম আসন্ন রমজান ও ঈদ সামনে রেখে সম্ভাব্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উদ্ভব সংক্রান্ত বিষয়, বাজার মনিটরিং, শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা পরিকল্পনা ইত্যাদি বিষয় তুলে ধরেন।
সভায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক, র্যাব মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন, স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত আইজিপি মো. মনিরুল ইসলামসহ অন্যান্য অতিরিক্ত আইজিপিরা এবং ঢাকাস্থ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধানরা, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সকল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার এবং রেঞ্জ ডিআইজিরা ভার্চ্যুয়ালি সভায় যুক্ত ছিলেন।

























Leave a Reply