সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নে আলোচনার শীর্ষে কুষ্টিয়ার সৈয়দা ফাহিমা রুমী
■ কুষ্টিয়া প্রেস (সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সাংবাদিকতায়) ■ সংরক্ষিত নারী আসনে কুষ্টিয়া অঞ্চল থেকে সংসদ সদস্য (এমপি) পদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সম্ভাব্য মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলাদল, কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাবেক সভাপতি, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সদস্য সৈয়দা ফাহিমা রুমী।
রাজনৈতিক সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা, আন্দোলন- সংগ্রামে অংশগ্রহণ এবং সংগঠনকে সুসংগঠিত করার ক্ষেত্রে অবদান রাখার কারণে দলীয় মনোনয়নের আলোচনায় তার নাম গুরুত্ব পাচ্ছে। সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমীর সুযোগ্য সহধর্মিণী সৈয়দা ফাহিমা বানু যখন সৈয়দ রুমী সাহেব জেলখানায় আটক থাকতেন তখন নেতা কর্মীদের সুসংগঠিত রাখতে বটবৃক্ষের ন্যায় ছায়া দিয়ে আগলে রেখেছেন।
সৈয়দা ফাহিমা রুমী’র রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয় ১৯৮২ সালে, যখন তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিলেন। সেসময় ছাত্র দলের রাজনীতির মধ্য দিয়ে। সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী সাহেবের সাথে বিবাহের পরে সৈয়দ রুমী তার রাজনৈতিক জীবনের অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠেন। কুষ্টিয়ার সকল নেতাকর্মীদের প্রিয়জন হয়ে ওঠেন তিনি। হাসি মুখে সকলের অভিযোগ অনুযোগ সমাধানের আশ্রয়স্থল হয়ে ওঠেন।
২০০৭ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের (১/১১) পর সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী সাহেবের নির্দেশনায় তিনি সংগঠনকে সক্রিয় করতে কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক, জেলা মহিলাদলের সভাপতি, কুষ্টিয়া জেলা জাতীয়তাবাদী দলের মহিলা সম্পাদক এবং বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের দাবি, কঠিন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ও নেতা সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী জেলে অন্তরীণ থাকাকালীন দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে সক্রিয় ছিলেন। এমনকি স্থানীয়ভাবে বিএনপির কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়লে ঝুঁকি নিয়ে জেলার দলীয় অফিস পুনরায় চালু করতে ও অফিস কেন্দ্রীক কর্মসূচী বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখেন তিনি।
শিক্ষাগত দিক থেকেও তিনি এগিয়ে রয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন।
কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি’র রাজনীতি মূলত আবর্তিত হয় সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী সাহেবকে ঘিরে। জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ এ কুষ্টিয়ার তিনটি আসনে পরাজিত হওয়ায় কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির রাজনীতি কার্যত স্থবির হয়ে গেছে। এই ঘুমন্ত বিএনপিকে কুষ্টিয়ায় জাগ্রত করতে রুমী পরিবারের হাতে দল তুলে দিতে হবে এবং সরকারে কুষ্টিয়ার প্রতিনিধীত্ব নিশ্চিত করতে সৈয়দা ফাহিমা বানু কে সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনের বিকল্প নেই।
কুষ্টিয়া বাসীর দাবী ও দলীয় সূত্র জানায়, চূড়ান্ত মনোনয়ন ঘোষণার আগ পর্যন্ত একাধিক প্রার্থীর নাম আলোচনায় থাকলেও সৈয়দা ফাহিমা বানু কে একজন শক্তিশালী সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

























Leave a Reply